Act এর ধারার ব্যাত্যয় ঘতায় তবে ঐ আদালতের রায় বাতিল বলে গন্য হবে। (shiplu and anothers Vs state,, 49 DLR, HCD, 53)
কিন্তু কোন মামলায় যদি চার্জ গঠনের সময় অপরাধীর বয়স কম থাকে কিন্তু বিচারের সময় যদি অপরাধীর বয়স ১৬’র বেশী হয় তবে একত্রে বিচার করা যাবে। (bimal das Vs state,, 46 DLR, HCD, 460)
Children Act এর ধারা ৭ অনুসারে, যদি কোন কিশোরকে কোন প্রাপ্তবয়স্কের সাথে একত্রে অভিযোগ গঠন করা হয় তবুও ঐ কিশোরের বিচার একই আদালতে বা এজলাসে একত্রে করা যাবেনা। অবশ্যই কোন আলাদা ঘরে বা আদালতে বা এজলাসে করতে হবে।
কোন কিশোর যদি কোন অপরাধ করেছে বলে প্রমান হয় তবুও নিম্নোক্ত ধরনের শাস্তি কখনও দেয়া যাবে না-
- মৃত্যুদন্ড,
- দীপান্তর,
- জেল (যদিনা আদালত বলে যে কিশোরটি মারাত্বক ধরনের অপরাধ করেছে)।
একজন কিশোর অপরাধীকে সাজা দেবার সময় আদালত অবশ্যই নিম্নোক্ত বিষয় বিবেচনা করবেন-
- কিশোরটির বয়স ও চরিত্র,
- কিশোরটির বসবাসের পরিবেশ,
- প্রবেশন অফিসার এর রিপোর্ট।
একজন কিশোর এর ভালমন্দ বোঝার ক্ষমতা অনেক কম। সে যে অপরাধ করে এ বিষয়ে তার নলেজ অনেক কম থাকে। এই সব সমস্যা থেকে উতরানোর মতো যথেষ্ট বয়স তার থাকে। তাই কিশোর অপরাধীদের অবশ্যই শোধরানোর সুযোগ করে দিতে হবে। কারন শিশু কিশোররা হচ্ছে দেশের শ্রেষ্ঠ সম্পদ ও এরাই আগামী দিনের ভবিষ্যত।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন